ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীসহ মোট ছয় নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ আসনে চারজন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রুকুনুজ্জামান আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ইসফা খায়রুল হক শিমুল।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফার ছেলে জুলফার নাঈম মোস্তফা বিস্ময়ের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া ১৮ ডিসেম্বর সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এ নিয়ে রাজশাহী-৫ আসনে মোট ছয়জন বিএনপি নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন।
দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোর্শেদ শিবলী বলেন, “চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো ঘোষণা না হওয়ায় রাজশাহী-৫ আসনে ছয়জন নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা হতে পারে এই প্রত্যাশা থেকেই নেতারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন।”
পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র আল মামুন খান বলেন, “সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা থেকেই আমি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষেই কাজ করবে।”
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবু বকর সিদ্দিক মুঠোফোনে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জেল-জুলুম সহ্য করে যারা দলের হাল ধরে রেখেছেন, তাদের মধ্য থেকে রাজশাহী-৫ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। বরং জনবিচ্ছিন্ন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। আমরা আশা করি, দল জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে।”
উল্লেখ্য, রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন মোট ১২ জন। গত ৩ নভেম্বর বিএনপি থেকে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডলকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। তিনি এর আগে ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ আসনে চারজন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রুকুনুজ্জামান আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ইসফা খায়রুল হক শিমুল।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফার ছেলে জুলফার নাঈম মোস্তফা বিস্ময়ের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া ১৮ ডিসেম্বর সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এ নিয়ে রাজশাহী-৫ আসনে মোট ছয়জন বিএনপি নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন।
দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোর্শেদ শিবলী বলেন, “চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো ঘোষণা না হওয়ায় রাজশাহী-৫ আসনে ছয়জন নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা হতে পারে এই প্রত্যাশা থেকেই নেতারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন।”
পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র আল মামুন খান বলেন, “সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা থেকেই আমি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষেই কাজ করবে।”
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবু বকর সিদ্দিক মুঠোফোনে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জেল-জুলুম সহ্য করে যারা দলের হাল ধরে রেখেছেন, তাদের মধ্য থেকে রাজশাহী-৫ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। বরং জনবিচ্ছিন্ন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। আমরা আশা করি, দল জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে।”
উল্লেখ্য, রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন মোট ১২ জন। গত ৩ নভেম্বর বিএনপি থেকে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডলকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। তিনি এর আগে ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
ফরিদ আহমেদ আবির